ছাত্র-ছাত্রীদের অ্যাকাউন্টে  ১০ হাজার টাকা : মমতা

পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিচালিত স্কুল বা মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত শুধুমাত্র দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারাই এই প্রকল্পের অধীনে ১০,০০০/- টাকার আর্থিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য। এটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে এককালীন অনুদান।প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পের আলাদা কোনও অনলাইন আবেদন পদ্ধতি নেই। যোগ্য শিক্ষার্থীদের বিবরণ সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিভাগে প্রেরণ করে।

নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ছাত্রদরদী সরকারি প্রকল্প প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “রাজ্যের ৯ লক্ষ ৭৭ হাজার ছাত্র ছাত্রীদের ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে এই বছর। যার জন্যে রাজ্যের তহবিল থেকে ৯৭৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে এই প্রকল্পে। ছেলেমেয়েদের হাতে স্মার্টফোন বা ট্যাব কেনার অর্থ তুলে দেওয়া হয় প্রতি বছর।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিচালিত স্কুল বা মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত শুধুমাত্র দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারাই এই প্রকল্পের অধীনে ১০,০০০/- টাকার আর্থিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য। এটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে এককালীন অনুদান।প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পের আলাদা কোনও অনলাইন আবেদন পদ্ধতি নেই। যোগ্য শিক্ষার্থীদের বিবরণ সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিভাগে প্রেরণ করে। যাচাইয়ের পরে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পশ্চিমবঙ্গ তরুণ স্বপ্ন প্রকল্পের অধীনে স্মার্টফোন / ট্যাবলেট / পিসি কেনার জন্য ১০,০০০/- টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন।

সরকারের পক্ষ থেকে পড়ুয়াদের ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হল শিক্ষক দিবসে। ২০২১ সালে শুরু হওয়া তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের অধীনেই আজও আনুষ্ঠানিকভাবে এই ছাত্র সহায়ক প্রকল্পের কাজটি করা হয়। আজ ধনধান্যে অডিটোরিয়ামে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন “বাংলার উন্নয়ন নিজের চোখে দেখতে হবে। বাংলা শান্তিপূর্ণ রাজ্য।”

মমতা বলেন, “আজও আমরা ১০ হাজার টাকা করে দিয়েছি ৯ লক্ষ ৭৮ হাজার পড়ুয়াকে। আজ দিলাম দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের। খরচ হয়েছে ৯৭৮ কোটি টাকা। এই আইডিয়াটা এসেছিল কোভিড-এর সময় থেকে। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড নিয়ে আমরা অনেক আবেদন পাচ্ছি। এখানে সরকার গ্যারান্টার। তাই আমি অনুরোধ করছি ব্যাঙ্কগুলিকে যাতে আবেদনপত্র তাড়াতাড়ি ক্লিয়ার করে দেওয়া হয়।”

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *